August 26, 2026, 9:28 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মেহেরপুরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে যুবতীর কব্জি কেটে নিল যুবক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট/শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও ভবনের ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় দুই পোশাক শ্রমিক হোম কোয়ারন্টাইনে

হুমায়ুন কবির, খোকসা/
করোনা উপসর্গ থাকায় ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরত কুষ্টিয়ার খোকসায় দুই পোশাক শ্রমিককে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে।
উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামের মকছেল আলী মন্ডলের পুত্র হাবিল (৩০) ২৩ মে ঢাকা থেকে জ্বর, কাশি, গলা ব্যাথা নিয়ে বাড়ি ফেরে। সে সাভারের একটি তৈরী পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মন্ডলপাড়ার এই যুবক তিন দিন আগে ঢাকা থেকে নিজের বাড়ি ফিরে আসে। পরে সে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক প্রকাশ পালের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে খবরটি জানাজানি হয়ে যায়। এক পর্যায়ে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানা পুলিশের একটি দল ঐ যুবকের বাড়িতে যায়। বিষয়টি নিয়ে ওই রোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে তাকে হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা।
এদিকে ২৫ মে খোকসার বড়ইচারার আব্দুল কুদ্দুস শেখের স্ত্রী পোশাক শ্রমিক ঝর্ণা বেগম (৫০) করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফেরে। বিষয়টি স্থানীয় গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানতে পেরে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যন আলমগীর হোসেন বলেন, ঝর্না বেগম নারায়নগঞ্জের একটি তৈরি পোশাক কারখানা শ্রমিক। কর্মরত অবস্থায় তার শরীরে করোনার লক্ষন দেখা দিলে পোশাক কারখানার মালিক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা করান। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ঝর্নার কাছে নেই। ঈদের নামাজ পরে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ এবং স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল আলম বলেন, ঝর্না বেগমের বিষয়ে অবগত হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। না মানলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, সন্দেহভাজন করোনা রোগী দুইজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ২৭ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net