October 13, 2026, 8:00 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’ ইবির উন্নয়ন (৩য় পর্যায়)-১ম সংশোধিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ও সাইট পরিদর্শন

কুষ্টিয়ায় দুই পোশাক শ্রমিক হোম কোয়ারন্টাইনে

হুমায়ুন কবির, খোকসা/
করোনা উপসর্গ থাকায় ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরত কুষ্টিয়ার খোকসায় দুই পোশাক শ্রমিককে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে।
উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামের মকছেল আলী মন্ডলের পুত্র হাবিল (৩০) ২৩ মে ঢাকা থেকে জ্বর, কাশি, গলা ব্যাথা নিয়ে বাড়ি ফেরে। সে সাভারের একটি তৈরী পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মন্ডলপাড়ার এই যুবক তিন দিন আগে ঢাকা থেকে নিজের বাড়ি ফিরে আসে। পরে সে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক প্রকাশ পালের কাছ থেকে চিকিৎসা নেয়। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে খবরটি জানাজানি হয়ে যায়। এক পর্যায়ে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানা পুলিশের একটি দল ঐ যুবকের বাড়িতে যায়। বিষয়টি নিয়ে ওই রোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে তাকে হোমকোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা।
এদিকে ২৫ মে খোকসার বড়ইচারার আব্দুল কুদ্দুস শেখের স্ত্রী পোশাক শ্রমিক ঝর্ণা বেগম (৫০) করোনা উপসর্গ নিয়ে বাড়ি ফেরে। বিষয়টি স্থানীয় গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানতে পেরে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যন আলমগীর হোসেন বলেন, ঝর্না বেগম নারায়নগঞ্জের একটি তৈরি পোশাক কারখানা শ্রমিক। কর্মরত অবস্থায় তার শরীরে করোনার লক্ষন দেখা দিলে পোশাক কারখানার মালিক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা করান। কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ঝর্নার কাছে নেই। ঈদের নামাজ পরে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ এবং স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল আলম বলেন, ঝর্না বেগমের বিষয়ে অবগত হয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে। না মানলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, সন্দেহভাজন করোনা রোগী দুইজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ২৭ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net